বাজারে ইলিশ বাড়লেও অসন্তুষ্ট হয়েই ফিরে যাচ্ছে ক্রেতারা

0
177

ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি মৌসুমে জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় সন্তুষ্ট জেলে ও সংশ্লিষ্ট মাছ ব্যবসায়ীরা। প্রচুর সরবরাহ থাকায় মাছের বাজারে রাজত্ব করছে ইলিশ। কিন্তু মাছ কিনতে এসে অসন্তুষ্ট হয়েই ফিরে যেতে হাচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। তাদের দাবি, বাজারে যে হারে ইলিশ আসছে, দাম কমছে না সে অনুযায়ী। বড় ইলিশের দিকে বেশি নজর থাকায় বিক্রেতারা নিজেদের খেয়ালখুশিমতো দাম হাঁকাচ্ছেন।

বাজারভেদে কেজি বিক্রি হচ্ছে হাজার থেকে বারোশ টাকায়। এক কেজি ও তার সামান্য বেশি ওজনের এক পিস বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বারোশ থেকে দেড় হাজার টাকা দরে। এ ছাড়া ১ কেজির সামান্য কম ওজনের এক পিস ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। অন্যদিকে দেড় কেজি বা তার থেকে একটু বেশি ওজনের ইলিশ নিতে হলে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত।

বড় ইলিশের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি দেখেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি দাম চাওয়া হচ্ছে। যার কাছে একটু বড় আকারের ইলিশ আছে, সে একদাম হাঁকিয়েই বসে থাকছে। দামাদামিও করা যাচ্ছে না।’

দাম কমেছে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ৫০০ গ্রামের কম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতারা অভিযোগ করলেও ভিন্নমত ইলিশ বিক্রেতাদের। তারা দাবি করছেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় দামও অনেক কমে গেছে। এক মাসের ব্যবধানে তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে, তাই সামনে দাম আরও কমবে।

কারওয়ানবাজারের আল্লাহ্র দান সি ফিশ দোকানের ইলিশ বিক্রেতা মো. শুক্কুর আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে বড় ইলিশের চাহিদাটা একটু বেশি। তাই ছোট মাছের দাম কমলেও বড়টার দাম একটু চড়া। কিন্তু মাস খানেকের ব্যবধানে দাম অনেক কমেছে। এক মাস আগেও এক কেজি ওজনের প্রতিপিস ইলিশ বিক্রি করেছি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়, যা এখন বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। সামনে দাম আরও কমবে।’

পনেরো দিনের মধ্যেই বড় ইলিশের দাম আরও কমবে বলে জানান কারওয়ানবাজারের ইলিশ বিক্রেতা মোহাম্মদ কামালও, ‘ঘাটে এখন ইলিশের অভাব নেই। বাজারে সরবরাহ আরও বাড়বে। তবে একটু বেশি ওজনের ইলিশ এখনো কম ধরা পড়ছে। তাই দেড় কেজি বা তার থেকে বেশি ওজনের ইলিশের দামও চড়া। চলতি মাসের শেষে তা কমে যাবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here